বেরোবিতে রোকেয়া দিবস উদযাপন হলো যেভাবে

BRUR Photo 09.12 (4)কেবল পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমেই আজ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে(বেরোবি) বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার ১৩৫তম জন্ম ও ৮৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি এবং ভর্তি পরীক্ষার অজুহাতে রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেই কোন কর্মসূচীই। মুঠোফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(চলতি দায়িত্ব)মোর্শেদ উল আলম রনি লেখাপড়া২৪.কমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদককে সকাল সাড়ে ৯টায় স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্যে বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের কথা জানালেও সকাল সোয়া ১০টায় বেদী পরিষ্কার করতে দেখা যায় এক পরিচ্ছনতা কর্মীকে। ছিল না বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিরও কোন কর্মসূচীই।

 

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী কয়েকজন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক করেন।

 

বলা হয়ে থাকে, বেগম রোকেয়া শুধু একটি নাম নয়; তিনি ছিলেন নারী শিক্ষার একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মধ্য দিয়ে পশ্চাৎপদ নারীসমাজকে আলোর পথ দেখান। কিন্তু চিত্র ভিন্ন নিজ নামের বিশ্ববিদ্যালয়ে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, এই মহীয়সী নারীর নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭ বছরেও বেগম রোকেয়ার কোন প্রতিকৃতি নির্মাণের উদ্যোগ নেইনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে বেগম রোকেয়ার নামে কর্নার করা হলেও সেখানে বই সংখ্যা ৫ টি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বেগম রোকেয়ার আদর্শ চর্চা থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে।

 

বিভিন্ন বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া২৪.কমকে জানান, কেবল ফুল দিয়েই রোকেয়া দিবসে উদযাপনের মাধ্যমে এই মহীয়সী নারীর অবদানকে নিছক ঠাট্টা আর তামাশা করা হলো।

 

কথা বলবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী লেখাপড়া২৪.কমকে বলেন, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি এবং ভর্তি পরীক্ষা চলমান রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে রোকেয়া দিবস উদযাপন করা হবে।

 

লেখাপড়া২৪.কম/বেরোবি/সজিব/স্বশা-৪৫২৬

পছন্দের আরো পোস্ট