বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর পর্যবেক্ষণে ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর

Ahmed Sumanবাংলাদেশের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাউথ এশিয়া ফাউন্ডেশনের স্কলার হিসেবে ভারত শাসিত ‘জম্মু এন্ড কাশ্মীর’ প্রদেশের কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কাশ্মীর ও দক্ষিণ এশিয়া’ বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট করছেন। তিনি ‘জাকারিয়া পলাশ’ নামে সমধিক পরিচিত। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি, মানবউন্নয়ন, আঞ্চলিক সহায়তা ও সুশাসন, কাশ্মীর উপত্যাকার ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়সমূহ তাঁর অধ্যয়নের ক্ষেত্র। সম্প্রতি শিক্ষা ছুটিতে তিনি দেশে এসেছিলেন। এসময় তাঁর সাথে এ লেখকের কথা হয়। আলাপকালে জাকারিয়া পলাশ কাশ্মীরের ভূ-রাজনীতি ও সেখানকার মানুষের জীবন-যাপনের বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

 

 

কাশ্মীরের ভূ-স্বর্গ বিষয়ে জাকারিয়া পলাশ বলেন, কাশ্মীরের ‘ভূ-স্বর্গ’ অভিধাটি আসলে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত। প্রকৃতপক্ষে কাশ্মীর একটা বড় উপত্যাকা। এর চারপাশ হিমালয়ের পর্বতরাজি বেষ্টিত। হিমালয়ের বরফ গলা পানি ওইসব পর্বতের গা বেয়ে নেমে আসে। উপত্যাকায় প্রবাহমান ঝরণা, সুমিষ্ট শীতল স্বচ্ছ পানির প্রবাহ, আঁকাবাঁকা-উঁচুনিচু পাহাড়ি রাস্তা, সবুজ গাছ বেশ দৃষ্টি নন্দন। প্রতিবছর এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এই আবহাওয়া এবং চিত্র দেখা যায়। ১৫ শতকের দিকে মুগল বাদশাহগণ কাশ্মীরকে তাদের অধীনস্ত করেন। পরে এখানে তারা নানা ধরনের বাগান ও স্থাপনা সাজান। বাদশাহগণ গ্রীষ্মকালীন প্রমোদ উদ্যান হিসাবে এই উপত্যাকার বিভিন্ন স্থানকে গড়ে তোলেন। মুগল সম্রাট জাহাঙ্গীর কাশ্মীরকে ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলে অভিহিত করেন। এখানকার অপূর্ব সুন্দর প্রকৃতি মানুষকে সহজেই আকৃষ্ট করে। এই মূল্যবান প্রাকৃতিক পর্যটন সম্ভবনাও কাশ্মীরের উপর ভারত-পাকিস্তানের দাবির ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ বলে কেউ কেউ মনে করেন। পাকিস্তানের দাবি, কাশ্মীর পাকিস্তানের। ভারতের দাবি,‘ কাশ্মীর ইজ ইন্টিগ্র্যাল পার্ট অব ইন্ডিয়া’। আবার কাশ্মীরের জনগণের বিরাট অংশ জোরালো দাবি করছে স্বতন্ত্র জাতিসত্ত্বা হিসাবে কাশ্মীরের সার্বভৌমত্ব।

 

কাশ্মীর নিয়ে বিরোধের জের হিসেবে প্রায়শই সেখানে ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গোলাগুলি এবং কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী ভারতীয় সেনাদের ওপর হামলার ঘটে। একটা সংঘাতময় অবস্থা বা আতঙ্কের মধ্যে কাশ্মীরের লেখাপড়ার পরিবেশ নির্বিঘ্নভাবে চলার ব্যাপারে জাকারিয়া পলাশ পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, সকলেই জানেন যে, কাশ্মীর একটা ডিসপিউটেড টেরিটোরি (অমিমাংসিত/বিরোধপূর্ণ এলাকা)। কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে যে বিরোধ চলছে তাতে অনেকগুলো পক্ষ আছে। প্রত্যেক পক্ষই নিজেদের স্বার্থ আদায়ের জন্য সেখানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর এই পক্ষগুলোই একজন আরেকজনকে বিভিন্ন নামে ডাকছে। রাষ্ট্রের কাছে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’। তাদের দাবি তারা ‘স্বাধীনতাকামী’। তারা রাষ্ট্রকে বলছে, ‘দখলদার’। মূলত, যুদ্ধ বলতে যে সশস্ত্র সংঘাতের কথা বলা হয়, তা এখন বেশ সীমিত হয়ে পড়েছে। যদিও সেখানে বিরোধ এখনো রয়েছে। এর কারণ হিসেবে আমার ধারণা, একপক্ষের শক্তির কাছে আরেকপক্ষ কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ায় যুদ্ধ সীমিত হয়ে পড়েছে। ৯০’র দশকের সেই তুমুল সংঘাত এখন নেই। সুতরাং এখন সেখানে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত আছে। জীবন-জীবিকাও চলছে। বিয়ে-শাদী আচার অনুষ্ঠানও হচ্ছে। তবে সব কিছুতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটা আবহ লক্ষ করা যায়। পর্যটকরা আসছে প্রচুর। আবার একথাও স্বীকার্য যে, যেখানেই সৈন্যসমাবেশ থাকে, সেখানে আতঙ্ক বিরাজ করে। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ও থাকে। এগুলো সবই সেখানে আছে। গুলিতে সশস্ত্র বিদ্রোহীর মৃত্যু, সেনাসদস্য নিহত, তুমুল গোলাগুলির খবর পত্রিকায় নিয়মিত পাওয়া যায়। পাওয়া যায় যুবকদের কেউ কেউ জঙ্গিগ্রুপে যোগ দেয়ার খবরও। মাঝেমধ্যে নিরীহ মানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবরও ছাপা হয়। আবার আমরা এটাও জানি যে, গণমাধ্যমের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গণমাধ্যম যুদ্ধের খবর দেয়। যুদ্ধের মধ্যেও যে জীবন আছে, সে খবর দেয় না বা দিতে পারে না। পরিপূর্ণ চিত্র তুলে ধরার মতো গণমাধ্যম নেই। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই কাশ্মীরে সংঘাত বা বিরোধের মূল কারণ কী না, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের এ তরুণ শিক্ষার্থী বলেন, কাশ্মীর সংঘাতের মূল কারণ জানতে হলে আমাদের ইতিহাস ও ভূ-রাজনীতির দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। জম্মু, কাশ্মীর, লাদাখ, গিলগিত ও বালতিয়াতান হল হিমালয়ের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন এলাকা। বিভিন্ন পর্বতমালার মাধ্যমে এসব এলাকা বিভক্ত। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখসহ নানা ধর্মের মানুষ এসব জায়গায় বসবাস করে আসছে ইতিহাসের বিভিন্ন সময় থেকে। ১৪ শতক থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা মুসলিম। কখনও সম্প্রীতি, কখনও সংঘাত ছিল সেখানে। মধ্য এশিয়া, মোগল, আফগান, পাঞ্জাবি, শিখসহ অনেকেই শাসন করেছে। ১৮৪৬ সালে ব্রিটিশরা এই অঞ্চলের দখল নিয়ে জম্মুর হিন্দু রাজা গুলাব সিংয়ের কাছে অর্থের বিনিময়ে হস্তান্তর করে। বিদেশ নীতিসহ কিছু বিষয় ব্রিটিশ সরকারের হাতে থাকে। আর অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সর্বময় ক্ষমতা নেন গুলাব সিং। তখন এই রাজ্যের নাম হয় ‘জম্মু ও কাশ্মীর’। এটি তখন ব্রিটিশ রাজ্যের ‘প্রিন্সলি স্টেট’ হিসেবে পরিগণিত হয়। ১৮৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় সংখ্যগরিষ্ঠ মুসলিম জনসংখ্যার মতামতের ভিত্তিতে পাকিস্তান এই রাজ্যের দাবি করে। এছাড়া, সিন্ধুনদসহ পাঞ্জাবের পাঁচটি নদীর উৎসস্থল হিসাবে; চীন, রাশিয়া, আফগানিস্তানসহ মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভৌগোলিক সংযোগ হিসাবে; এবং অন্যান্য ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের বিবেচনায় রাজ্যটি ভারত-পাকিস্তান উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে ভারতও এ রাজ্যকে তার অধীনে নিতে তৎপরতা শুরু করে। রাজ্যের তখনকার হিন্দু রাজা (হরি সিং) সিদ্ধান্ত নিতে সময় ক্ষেপণ করেন। এ সময় হরি সিং রাজা হলেও ব্যাপক জনপ্রিয় জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন শেখ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি ছিলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের স্বতন্ত্র জাতিসত্তার দাবিদার। তিনি দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ছিলেন। তিনি ছিলেন, একটি আলাদা সেক্যুলার জম্মু ও কাশ্মীরের পক্ষে। ফলে, শেখ আবদুল্লাহর দল ‘ন্যাশনাল কংগ্রেসে’র সমর্থনে কিছু বিশেষ শর্তে (আলাদা পতাকা, সংবিধানসহ কিছু বিশেষ স্বায়ত্বশাসন) মহারাজা ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন। ভারতীয় সেনাবাহিনী জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছে। এদিকে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে সশস্ত্র-নিরস্ত্র লোকজন মহারাজার এলাকায় প্রবেশ করে প্রায় এক তৃতীয়াংশ এলাকা দখলে নেয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীও তাদের সহায়তা করে। এভাবেই রাজ্য বিভক্ত হয়, অনেক পরিবার বিভক্ত হয়। বিভাজনের সেই দ্বিধা আজও বিরাজমান। তবে, সশস্ত্র সংঘাতের শুরু হয় ১৯৮৭ সালের ব্যাপক কারচুপির নির্বাচনের পর। ওই নির্বাচনে পরাজয়ের পরে অনেক রাজনৈতিক দল অসংখ্য যুবককে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র পথে ঠেলে দেয়। সশস্ত্র গ্রুপে যোগ দেয়া একটা কালচার হয়ে ওঠে যুবকদের জন্য। ওদিকে চীনের সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত নিয়ে ব্রিটিশ আমল থেকে রয়েছে অমিল। অর্থাৎ এশিয়ার তিন পারমাণবিক সুপার পাওয়ার-চীন, ভারত ও পাকিস্তান কাশ্মীরে এসে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে।

 

কাশ্মীর নিয়ে দুই শক্তিধর প্রতিবেশির বিরোধে সাধারণ জনগণের ভাবনা প্রসঙ্গে জাকারিয়া পলাশ বলেন, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষজনও সহজ-সরল। অধিকাংশ মানুষ সামাজিক জীবনে সৎ এবং অতিথিপরায়ন। সামাজিক ব্যবস্থার সঙ্গে বাঙালি সমাজের মিলের চেয়ে অমিল বেশি। মানুষ ধর্ম ও রাজনৈতিক ব্যাপারে অতি স্পর্শকাতর। কাশ্মীরের অধিকাংশ মানুষের কাছে পাকিস্তান পরম প্রিয় ভূমি। বাংলাদেশী হিসাবে পাকিস্তানের ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য তাদেরকে বিব্রত করে। কখনও কখনও আহত করে। অবশ্য, তরুণদের অনেকেই বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের অনেক ভক্ত। কাশ্মীরের অতীত ইতিহাস অনেককে মুগ্ধ করবে। কাশ্মীর উপত্যাকা হিন্দু দেবতা শিবের মন্দিরগুলোর জন্য অনেকের কাছে পবিত্র। বৌদ্ধধর্মের অগণিত নিদর্শন রয়েছে সেখানে। বৌদ্ধধর্মের বিকাশে অনবদ্য অবদান রয়েছে কাশ্মীরের শীতল প্রকৃতির। আর শান্তিকামী সুফিদের হাত ধরে ইসলামের আগমনও যে কোন গবেষকের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মধ্য এশিয়া থেকে আসা এক ইসলামী দর্শনিকের হাতে কাশ্মীরের বৌদ্ধ রাজা রিনচান শাহ প্রথম ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেছিলেন, ১৪ শতকে। শন্তিপূর্ণ ধর্মীয় বিপ্লব এবং অসাম্প্রদায়িকতার উপকরণ কাশ্মীরের ইতিহাসে অমূল্য। অবশ্য, নিরবিচ্ছিন্ন সংঘাত, আস্থার সংকট আর নানাবিধ নিয়ন্ত্রণ সেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিকে এখন প্রায় শূণ্যে নামিয়ে দিয়েছে।

 

কাশ্মীর পর্যবেক্ষণ থেকে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান প্রসঙ্গে জাকারিয়া পলাশ একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর সীমাবদ্ধতার কথা জানালেও এ ব্যাপারে কয়েকটি অভিমত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থে দক্ষিণ এশিয়ার সংঘাতের সমাধান হওয়া জরুরি। আমরা সবাই জানি, ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক দ্বন্দ্ব, দক্ষিণ এশীয় সংস্থা সার্কের গতির জন্য অসুবিধা। আর এই দুই দেশের দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় ইস্যু হল ‘কাশ্মীর’। জাতিসংঘের একাধিক রেজোল্যুশনে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য জম্মু এবং কাশ্মীরের জনগণের একটি গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে। কিন্তু, নানা কৌশলগত কারণে শক্তিশালী পক্ষ সে ব্যাপারটি এড়িয়ে গেছে। এগুলো সবার জানা। আসলে কাশ্মীর সমস্যা হল বহুমাত্রিক (মেনিফোল্ডেড) সমস্যা। এর সম্ভাব্য অনেক সমাধান নিয়ে চিন্তা করা যেতে পারে। কিন্তু, বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরাশক্তির স্বার্থের ঐক্যের ওপর নির্ভর করে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, ভারত-পাকিস্তান দুইটি দেশই জম্মু-কাশ্মীরের ভূ-খ-ের দখল চায়। কিন্তু এ দু’টি দেশই সেখানকার মানুষের কথা শুনতে চায় না। তা না হলে, ছয় দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে তারা ওখানকার জনগণের কাছে মতামত চাইতে পারতো। কিন্তু, ভারত, পাকিস্তান এবং কাশ্মীরের রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে এ নিয়ে মতৈক্য হয়নি। জাকারিয়া পলাশ কাশ্মীরে তাঁর পড়াশোনা ব্যতিত অবসর সময় ভালো কাটছে জানিয়ে বলেন, কাশ্মীরে আমার দুই বছর থাকতে হবে। এরমধ্যে এক বছর পার হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে দুই বছর দীর্ঘ সময়। বাস্তবে হয়তো দুই বছর দীর্ঘ সময় নয়। আসলে গ্রাম, পরিবেশ, প্রতিবেশ, পরিচিতজন এবং বাঙালি খাবার তীব্রভাবে অনুভব করি। এরপরও ‘ভূ-স্বর্গ’ কাশ্মীরের সুন্দর নির্মল প্রকৃতি, সহজ-সরল মানুষ, নতুন ও নানা দৃষ্টিভঙ্গির বন্ধু-সহপাঠি, নতুন নতুন অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে আনন্দেই কাটছে সময়।

 

জাকারিয়া পলাশ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভালো বির্তাকিক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। পড়াশোনা, বির্তক ছাড়াও সাংবাদিকতা করেছেন। স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন একটি শীর্ষ স্থানীয় জাতীয় দৈনিকে। কাশ্মীরে পড়ালেখা শেষে ভাবছেন বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ থেকে একটি বই লিখবেন। দেশে ফিরে সংবাদপত্রে আবারও যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।#

 

আহমেদ সুমন
গবেষক ও বিশ্লেষক

e-mail: asumanarticle@gmail.com

 

লেখাপড়া২৪.কম/আরএইচ-৪৫৬৩

পছন্দের আরো পোস্ট