ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কর্মশালা

সমাজের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী কর্তৃক ধোয়ামুক্ত তামাক সেবন ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিরুপনের গবেষণা প্রকল্পের দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ৪ আগষ্ট ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এম লুৎফর রহমান
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এম লুৎফর রহমান

বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি) ও আমেরিকার জন হোপকিনসন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ এর সহযোগিতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা  করে।

 

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এম লুৎফর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে গতকাল দু’দিনব্যাপী  এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর ডঃ এস এম মাহাবুব উল হক মজুমদার।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক  ও প্রকল্পের সহ- গবেষক অধ্যাপক ডঃ এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শাহ মোহাম্মদ  কেরামত আলী, বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি) এর গবেষণা ব্যবস্থাপক গৌতম শুভ্র বিশ্বাস ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ও মূখ্যগবেষক ডঃ মোহাম্মদ শাহজাহান। কর্মশালায় জনস্বাস্থ্য, রিয়েল এস্টেট ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এম লুৎফর রহমান বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি আমাদের মূল্যবোধকে জাগ্রত করে সকলের অংশ গ্রহণে সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে তামাক বিরোধী আন্দোলন সফল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সচেতন ছাত্র সমাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিরোধী প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

 

এ ক্ষেত্রে তিনি বলেন, ২০০৫ সালের আইনকে আরো কঠোর করে বর্তমান সরকার তামাক ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন- ২০১৩ সংশোধন করেছে। তিনি বলেন, সুস্থ জীবনই সুখী জীবন। সুস্থ থাকতে হলে তামাক এর ব্যবহার পরিত্যাগ করতে হবে। আমাদের মূল্যবোধকে জাগ্রত করতে হবে। তিনি আরো বলেন আমাদের সবার সচেতন মনোভাব ও মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে তামাকমূক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডঃ এস এম মাহাবুব উল হক মজুমদার তামাক গ্রহণের ক্ষতিকর প্রভাব সমূহ এবং মানবদেহে এর বিরুপ প্রতিক্রিয়া সমূহ তুলে ধরে বস্তিবাসী ও গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির আহবান জানান।

সঃ সুউ ফয়সাল

 

পছন্দের আরো পোস্ট