দেড় মাস ধরে অচল ইউএসটিসি

ustc
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) দেড় মাস ধরে অচল থাকলেও এ নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন বিপন্ন হওয়ার পথে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে যেমন উদাসীন তেমনি অচলাবস্থা নিরসনে নেই কোনো সরকারি উদ্যোগও।

সরকারের নিয়মনীতি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা আন্দোলনের ৪৬তম দিনে রোববার কর্মবিরতি পালন করে রাজপথে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তারা। সকাল ৯টায় ইউএসটিসির শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের এক যৌথ বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামে অবস্থিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউএসটিসির প্রায় ৮শ’ শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জুন মাসের বকেয়া বেতন এবং চলিত রমজান মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

ইউএসটিসির বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান সদস্য সচিবসহ অন্যদের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ তহবিলের কোটি কোটি টাকা তসরুপের প্রতিবাদ এবং আইন মেনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার দাবিতে আন্দোলন করায় শাস্তি হিসেবে কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন ও ঈদ বোনাস বন্ধ রেখেছেন।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ইউএসটিসিতে কর্মরতদের বেতন বোনাস না দিলে সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। বক্তারা বলেন, কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ইউএসটিসির একাধিক অনুষদ ও বিভাগের দুই হাজারের অধিক দেশী-বিদেশী ছাত্রছাত্রী সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাচ্ছেন না ফলে তাদের শিক্ষাজীবন হুমকির সম্মুখীন।

সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. এএইচএম ইছহাক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী, ইউএসটিসির বিবিএমএইচের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. শওকত আলী, প্রফেসর ডা. মোকাদ্দেস আক্তার বেগম, ডা. বদিউল আলম, প্রফেসর মাহমুদুল হক চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এবিএম মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর ডা. দিদারুল আলম, প্রফেসর সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল­াহ, প্রফেসর ডা. ফয়েজ আহমদ খান, প্রফেসর ডা. এমএ রউফ, প্রফেসর ডা. প্রকাশ কুমার চৌধুরী, ড. কিশোর মজুমদার প্রমুখ।

স: ইএইচ

পছন্দের আরো পোস্ট