নিজস্ব সংস্কৃতি ও চারুকলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মনুষ্যত্ববোধ সৃষ্টি হয়: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের সকল বিদ্যালয়ের চারুকলা ও সংগীতে সহযোগিতা করতে বিখ্যাত সব শিল্পীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও চারুকলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মনুষ্যত্ববোধ সৃষ্টি হবে। তাই আমরা সকল বিদ্যালয়ে এসব চালু করতে চাই। কিন্তু এসব বিষয়ে আমাদের কোন শিক্ষক নেই। তবে আপনারা (শিল্পীরা) সহযোগিতা করলে এটা করতে পারবো।
শিক্ষামন্ত্রী
শুক্রবার রাজধানীর বেঙ্গল শিল্পালয়ে বেঙ্গল গ্যালারী অব ফাইন আর্টস’র সাবেক পরিচালক শিল্পী সুবীর চৌধুরীর স্মরণ সভায় দেশের প্রতিযশা শিল্পীদের কাছে এ সহযোগিতা চান তিনি। সুবীর চৌধুরীর গড়া বেঙ্গল ফাউন্ডেশন এ স্মরণ সভার আয়োজন করে। স্মরণ সভায় শিল্পী সুবীর চৌধুরীর জীবন ও কর্মের ওপরও আলোচনা করেন বক্তারা।
নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তরুণ শিল্পীরা এগিয়ে আসলে তরুণ প্রজন্ম উৎসাহ পাবেন। তিনি বলেন, বিশ্বের কোন দেশে শিক্ষায় এত কম বরাদ্দ আর আছে কিনা আমার জানা নেই। তবুও স্বল্প বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

শিল্পী সুবীর চৌধুরী সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিল্পকলাকে দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বে পরিচিত করাতে সুবীর চৌধুরীর ভূমিকা ছিল অনন্য। তাই সুবীর চৌধুরী তার কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন।

ইতালিয় রাষ্ট্রদূত জর্জিয়া কুলিন মেনু বলেন, সুবীর বাংলাদেশের শিল্পী ও তাদের কর্মকে বিশ্বে পরিচিত করিয়েছেন। তার এ অর্জন ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে। সুবীরের মতো শিল্পী বেশি জন্মে না।

শিল্পী রফিকুন নবী (রনবী) বলেন, সুবীর না হলে এদেশের শিল্প জগৎ হয়ত এত বিস্তৃত হতো না। জেদি ও কর্মঠ সুবীর দেখিয়ে দিয়ে গেছেন কিভাবে শিল্প ও শিল্পীকে মূল্যায়ন করতে হয়। তার শূণ্যতা কোনদিন পূরণ হবে না।

শিল্পী আবদুল কাউয়ূম বলেন, সুবীর বাংলাদেশের শিল্পকলার ভূবনকে আলোকিত করে গেছেন। সুবীর নিজে নয়, সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তার প্রতিটি কর্ম এদেশের শিল্পকলায় পাথেয় হয়ে থাকবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিল্পী মনিরুজ্জামান, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জরুল ইসলাম, রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রমুখ। #

 

স:আরএইচ

পছন্দের আরো পোস্ট