ঢাবির শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মারামারি

নিউমার্কেট থানার নীলক্ষেতের গাউসুল আজম সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মারামারি হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা একটি দোকানে ভাঙচুর চালায়।du

শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মার্কেটের ১১ নম্বর প্রেমা কম্পিউটারের দোকানদারদের সঙ্গে এ মারামারির ঘটনা ঘটে। টাকা বিকাশ করাকে কেন্দ্র করে তার সূচনা হয় বলে জানা গেছে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা গেছে, স্যার এএফ রহমান হল ছাত্রলীগ শাখার সহ-সভাপতি ওমর ফারুক শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে বিকাশের টাকা ক্যাশ আউট করার জন্য ওই দোকানে যান।

এ সময় দোকানের বিকাশ সার্ভিস থেকে ৫০০ টাকা ক্যাশ আউট করার সার্ভিস চার্জ বাবদ ১০টাকা দিতে না পারায় দোকানদার আরিফুর রহমানের সঙ্গে তার বাক-বিতন্ডা হয়।

এক পর্যায়ে দোকানদারদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে ওই দোকানদাররা তাকে লাঞ্ছিত করে।

পরে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী গিয়ে দোকানে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার সাথে সাথে মার্কেটের দোকান-পাট সব বন্ধ হয়ে যায়।

দোকানদার আরিফুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রলীগের ওই নেতা ৫শ টাকা ক্যাশ আউট করেন। কিন্তু তার কাছে সার্ভিস চার্জের অতিরিক্ত টাকা না থাকায় তিনি আমাকে ভাঙতি করে দিতে বলেন।
ভাঙতি টাকা না থাকায় তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তিনি আমার গালে চড় মারেন। এছাড়া আমার দোকানে থাকা কম্পিউটার ও সিডি ভাঙচুর করেন।’

ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ বলেন, ‘ওমর ফারুকের কোনও দোষ নেই, তা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়েই আমি থানায় এসেছি। এর আগেও নীলক্ষেতের অনেক দোকানদার ঢাবির ছাত্রদের ওপর হামলা করেছে। এবার এর একটা সুরাহা হবে।’

নীলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি এক পক্ষের কথা শুনেছি। দুইপক্ষের কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নিব কি করা যায়।’

স: ইএইচ

পছন্দের আরো পোস্ট